ইন্ডি বাংলাদেশ ২০২০
অসংখ্য সুযোগের সমারোহ!

বিদেশে ভারতীয় প্রকৌশল পণ্য ও সেবার অন্যতম প্রদর্শনী দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভারতের প্রকৌশল সক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যে ঢাকায় আয়োজিত হচ্ছে ইন্ডি’র ৪১তম আসর।

প্রথম আসরটি ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে, যার বিশেষ দিক ছিল।

  • ১০০ এর অধিক এক্সিবিটর
  • ২০০০ ব্যবসা ও বানিজ্য প্রতিনিধি
  • মিডিয়ায় ব্যাপক কভারেজ ও প্রচার
  • বাংলাদেশ সরকাররের তৎকালিন শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু কর্তৃক প্রদর্শনীর উদ্বোধন
  • ভারতীয় হাই কমিশন এবং বাংলাদেশের প্রধান বানিজ্য ও শিল্প সমিতিগুলোর সহায়তা

ইন্ডি বাংলাদেশ ২০২০- এ যা থাকবে

  • ১২০ এর অধিক ভারতীয় এক্সিবিটর, যাদের মধ্যে থাকবে পিএসইউ, এমএসএমই এবং এসএমই
  • স্টার্ট-আপ এবং নতুন রপ্তানিকারকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ
  • ৪,০০০ বর্গ মিটার জুড়ে বিস্তৃত প্রদর্শনী

প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ

  • ইন্ডি (ইন্ডিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সিবিশনস) বিশ্বের সকল প্রকৌশল প্রদর্শনীর মধ্যে অন্যতম, যা ২৬টি দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্ডি বাংলাদেশ প্রদর্শনীটির ৪১তম আসর।
  • ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম প্রদর্শনীর পর ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশে রপ্তানির পরিমান ২৬.৩১% বৃদ্ধি পেয়ে ৮.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়। উল্লেখ্য ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে এর পরিমান ছিল ৬.৮ বিলিয়ন মার্কিন। ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রকৌশল রপ্তানির ইয়ার-অন-ইয়ার প্রবৃদ্ধির হার ১৬.৭%।
  • বাংলাদেশে ভারতের মোট রপ্তানির ৩০% দখল করে আছে প্রকৌশল সেবা ও সামগ্রী।
  • প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে এমএসএমই এবং এসএমই খাতের অংশগ্রহণ উৎসাহিতকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ।
  • বানিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতের অন্যতম বানিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসার সংস্থা ইইপিসি আগামীতে ভারতীয় শিল্পকে নেতৃত্ব দিবে।
  • ভারতের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং প্রকৌশল, ইস্পাত, রেলওয়ে ও পাওয়ার খাতের সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ অংশগ্রহণ করবে।
  • ভেন্ডর এবং ট্রেডার অ্যাপয়েন্টমেন্টের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিজনেস টু বিজনেস মিটিং এবং সেমিনারের আয়োজন।
  • প্রদর্শনীটি বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে ভারতের অঙ্গিকার সুদৃঢ়করণে ভূমিকা রাখছে।

ভারত- বাংলাদেশ বানিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর অনতিবিলম্বে বাংলাদেশকে একটি স্বতন্ত্র ও স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানপূর্বক দেশটির সঙ্গে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম দেশ হচ্ছে ভারত। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়ার ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের রয়েছে একটি অভিন্ন ইতিহাস। ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, মানুষ ও অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এই সম্পর্ক বিস্তৃত। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর গত সাড়ে চার দশক ধরে উভয় দেশ সকল ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরী করেছে, যার মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ক ক্রমাগতভাবে সৃদৃঢ় হয়েছে।

ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক বিদ্যমান। ব্যবসা ও বানিজ্য প্রসারের জন্য উভয় দেশ বহু বছর ধরে ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা স্থাপন করেছে, যাতে সহযোগী ভূমিকা পালন করেছে উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক প্রতিনিধি বিনিময়। বিগত পাঁচ বছরে, ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য ২০১১-১২ অর্থ বছরে ৪.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৯.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রকৌশল বানিজ্য ০.৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাড়িছে, যদিও এই বাণিজ্যিক ভারসাম্য ভারতের অনুকুলে। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশে রপ্তানিকৃত শীর্ষ ৩টি প্রকৌশলী পণ্য হলো গাড়ি, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি এবং লোহা ও ইস্পাত।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অপার সম্ভাবনা এবং আমাদের শিল্প অংশীদারদের আগ্রহের কথা বিবেচনা করে, ইইপিসি ইন্ডিয়া ২০২০ সালের ২২-২৪ জানুয়ারি ঢাকায় ইন্ডি বাংলাদেশের ২য় আসর আয়োজন করতে যাচ্ছে।

বিস্তারিত পড়ুন

  • স্থান: হল ১, আইসিসিবি ঢাকা, বাংলাদেশ
  • তারিখ: ২২-২৪ জানুয়ারি ২০২০
  • সকাল ১১টা-
    সন্ধ্যা ৭টা

কেন আপনি অংশগ্রহণ করবেন?

বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রকৌশলের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আয়োজিত এই এক্সিবিশন

প্রকৌশল পণ্যের ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারী পার্টনার

ভৌগলিক অবস্থানের কারণে রপ্তানির উন্নয়নে অর্থনৈতিক সুবিধা

সড়ক, নৌ এবং আকাশ পথে সুবিধাজনক যোগাযোগ

রপ্তানির এক্সপোনেনশিয়াল প্রবৃদ্ধির ফলে ভারতের অনুকুলে বানিজ্যিক ভারসাম্য

দক্ষিন এশিয়ায় বানিজ্যিকভাবে বাংলাদেশ হলো ভারতের বড় অংশীদার

সাফটা, সাপটা এবং অ্যাপটা’র অধীনে বাংলাদেশকে প্রদত্ত শুল্ক ছাড়

সাফটার অধীনে সকল পণ্যের ক্ষেত্রে (সংবেদনশীল তালিকায় অন্তর্ভূক্ত পণ্য বাদে) ট্যারিফ হার শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে

অভিন্ন সাংস্কৃতিক মুল্যবোধের কারণে বাংলাদেশের আমদানিকারকরা ভারতের সঙ্গে বানিজ্য সম্পর্ক স্থাপনকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।

আইসিসিবি বাংলাদেশের ঢাকায় অন্যতম এক্সিবিশন সেন্টারগুলোর মধ্যে একটি।

বাংলাদেশের অর্থনীতি

বিগত দুই দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। মাথাপিছু আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃত জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধির হার অর্জিত হয়েছে ৬ শতাংশেরও বেশি।

২০১৭ সালে পারচেজিং পাওয়ার পার্টি(পিপিপি) বা ক্রয় ক্ষমতা হিসেবে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ছিল ৬৯০.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭ সালে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.৪% অর্জনের মধ্য দিয়ে দেশটি বিশ্বের অন্যতম দ্রুত প্রবৃদ্ধিশীল অর্থনীতি ধারক হিসেবে নিজের স্থান ধরে রেখেছে। এর মূলে প্রাথমিকভাবে ছিল টেকসই অভ্যন্তরীণ ব্যয় এবং পুনরুজ্জীবিত রফতানির।

পণ্য পরিচিতি

  • মোটরযান, অটো পার্টস, বিভিন্ন কম্পোনেন্ট, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি
  • বৈদ্যুতিক যন্তপাতি ও কম্পোনেন্ট
  • লৌহ ও ইস্পাত পণ্য
  • রেলওয়ে কম্পোনেন্ট, যন্ত্রাংশ এবং অ্যাকসেসরিজ
  • শিল্প মেশিনারী, যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি।
  • মেশিন টুলস এবং অ্যাকসেসরিজ
  • বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি
  • খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ মেশিনারী, যার সাথে রয়েছে কৃষিকার্যে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, প্যাকেজিং যন্ত্রপাতি, রিফ্রিজারেশন ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতি, সিরামিক তৈরির যন্ত্রপাতি, চা সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্রপাতি, পাট কলের যন্ত্রপাতি, বস্ত্রশিল্পের যন্ত্রপাতি এবং অ্যাকসেসরিজ
  • প্লাস্টিকের কাঁচামাল, বিভিন্ন কম্পোনেন্ট, পণ্য এবং মেশিনারী
  • পাম্প, কমপ্রেসর এবং ডিজেল ইঞ্জিন
  • তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস
  • বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিতরণ এবং সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্ট
  • নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন- সৌর, বায়ু, পানি এবং সবুজ শক্তি
  • ট্রান্সফর্মার, কন্ডাক্টর, ইনভার্টার এবং ইন্ডাক্টর
  • তার এবং ক্যাবল
  • সাইকেল এবং খুচরা যন্ত্রাংশ
  • লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
  • মেডিক্যাল ডিভাইস, যন্ত্রপাতি এবং ল্যাবরেটরী সামগ্রী
  • স্টিলের সামগ্রী এবং গৃহস্থালি সরঞ্জাম
  • আইটি এবং এ সম্পর্কিত সেবা, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং টেলিযোগাযোগ
  • প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং
  • পরামর্শ সেবা
  • রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাব এবং ইনস্টিটিউট

অংশগ্রহন ফী

১ম অপশন
রেডিমেড বুথ (সর্বনিম্ন ৯ বর্গমিটার)
১০,০০০/- রূপি/প্রতি বর্গমিটার
৯ বর্গমিটার বুথের জন্য ৯০,০০০/- রূপি

অন্তর্ভুক্ত সুবিধাসমূহ
১. সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বিল্ট-আপ বুথ
২. প্রতি কোম্পানীর একজন প্রতিনিধির জন্য ৪ রাতের সৌজন্যমূলক হোটেল।
৩. হোটেল এবং এক্সিবিশন ভেন্যুর মধ্যে যাতায়াতের জন্য শাটল পরিবহন।
৪. প্রতি কোম্পানীর জন্য সৌজন্যমূলকভাবে ১ সিবিএম মালামাল পরিবহন সুবিধা।

২য় অপশন
রেডিমেড বুথ (সর্বনিম্ন ৯ বর্গমিটার)
৭,৫০০/- রূপি/ প্রতি বর্গমিটার
৯ বর্গমিটার বুথের জন্য ৬৭,৫০০/- রূপি

অন্তর্ভুক্ত সুবিধাসমূহ
১. সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বিল্ট-আপ বুথ
২. প্রতি কোম্পানীর জন্য সৌজন্যমূলকভাবে ১ সিবিএম মালামাল পরিবহন সুবিধা।

৩য় অপশন
খোলা স্থান (সর্বনিম্ন ২৪ বর্গমিটার)
৭,৫০০/- রূপি/ প্রতি বর্গমিটার
২৪ বর্গমিটার বুথের জন্য ১,৮০,০০০/- রূপি

অন্তর্ভুক্ত সুবিধাসমূহ
১. প্রতি কোম্পানীর একজন প্রতিনিধির জন্য ৪ রাতের সৌজন্যমূলক হোটেল।
২. হোটেল এবং এক্সিবিশন ভেন্যুর মধ্যে যাতায়াতের জন্য শাটল পরিবহন।
৩. প্রতি কোম্পানীর জন্য সৌজন্যমূলকভাবে ১ সিবিএম মালামাল পরিবহন সুবিধা।

মন্ত্রণালয়/বিভাগ এবং পিএসইউ-এর জন্য
স্ট্যান্ডার্ড শেল স্কীম (সর্বনিম্ন ২৪ বর্গমিটার)
১৮,৫০০/- রূপি/প্রতি বর্গমিটার
২৪ বর্গমিটার বুথের জন্য ৪,৪৪,০০০/- রূপি

অন্তর্ভুক্ত সুবিধাসমূহ
১. প্রতি কোম্পানীর একজন প্রতিনিধির জন্য ৪ রাতের সৌজন্যমূলক হোটেল।
২. হোটেল এবং এক্সিবিশন ভেন্যুর মধ্যে যাতায়াতের জন্য শাটল পরিবহন।
৩. প্রতি কোম্পানীর জন্য সৌজন্যমূলকভাবে ১ সিবিএম মালামাল পরিবহন সুবিধা।

* বিল্ট-আপ বুথের ক্ষেত্রে (১ ও ২ নং পয়েন্ট) ১০% অতিরিক্ত কর্ণার সারচার্জ প্রযোজ্য হবে।


ইইপিসি মালবাহী জাহাজে এক সিবিএম এক্সিবিশনে প্রদর্শিতব্য পণ্য সৌজন্যমূলকভাবে পরিবহনের (একমুখী, শুধুমাত্র অনওয়ার্ড পরিবহন) ব্যবস্থা করবে। সকল অতিরিক্ত চার্জ যেমন- শুল্ক, কর, ভ্যাট, ম্যানপাওয়ার ইত্যাদি অংশগ্রহণকারীদের বহন করতে হবে। অংশগ্রহণকারীদের প্রকৌশল সামর্থ প্রদর্শনে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।


অতিরিক্ত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন -

পল্লবী সাহা
psaha@eepcindia.net
9899994374

পেমেন্ট পদ্ধতি

তিনভাবে পেমেন্ট করতে পারবেন

অনুগ্রহকপূর্ব্বক অনলাইনে নিম্নের পেমেন্ট গেটওয়েগুলোর মাধ্যমে পেমেন্ট করুন:

১. অ্যাটম ২. বিলডেস্ক ৩. সিসি এভিনিউ

অথবা

নিম্নের বর্ণনা অনুযায়ী RTGS অথবা NEFT -এর সাহায্যে ভারতীয় রুপির মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন

ব্যাংকের নাম
:
এইচডিএফসি ব্যাংক লিমিটেড
শাখা
:
সেন্ট্রাল প্লাজা
ব্যাংকের ঠিকানা
:
২/৬ শরৎ বোস রোড, কোলকাতা- ৭০০ ০২০
একাউন্ট নম্বর
:
00142090000452
একাউন্টের নাম
:
EEPC INDIA
NEFT কোড
:
HDFC0000014

অথবা

যথাযথভাবে পূরণকৃত ফর্মসহ "EEPC INDIA" -এর অনুকুলে ডিমান্ড ড্রাফট।

বিমান ভাড়া ফেরত

MAI নির্দেশিকা অনুয়াযী যোগ্য অংশগ্রহণকারীদের অনুর্ধ্ব ৭০,০০০ ভারতীয় রূপি ফেরত দেয়ার বিধান রয়েছে।
তবে, এ জাতীয় সহায়তা ২০১৯-২০ সালের ইভেন্টের ক্ষেত্রে বিশেষ সরকারি অনুমোদন প্রাপ্তির ওপর নির্ভর করবে। অর্থ ফেরত প্রাপ্তির যোগ্যতা অর্জনের জন্য নির্ধারিত শর্তাবলি মানতে হবে। বিস্তারিত নির্দেশিকার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন-
https://www.eepcindia.org/download/Guidelines-for-Reimbursement-of-Airfare190130100603.pdf

আর্লি বার্ড অফার : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত

১. একজনের জন্য একটি হোটেল রুম (আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে)।
২. দুইজন থাকার জন্য (অতিরিক্ত বেড ছাড়া)- প্রতি রাতের জন্য জনপ্রতি ৩০ মার্কিন ডলার চার্জ প্রযোজ্য হবে।
৩. দুইজন থাকার জন্য (অতিরিক্ত বেডসহ)- প্রতি রাতের জন্য জনপ্রতি ৩৫ মার্কিন ডলার চার্জ প্রযোজ্য হবে।

২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ এর পর বুকিং করলে সিঙ্গেল অকুপেন্সির ক্ষেত্রে প্রতি রাতের জন্য জন প্রতি ৩০ মার্কিন ডলার অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে। উপরের ক্রমিক নং ২ এবং ৩ অনুযায়ী টুইন শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জ প্রদেয় হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:

ইইপিসি ইন্ডিয়া ভিসা ইসু্যুর জন্য শুধুমাত্র এই মর্মে সুপারিশ করতে পারে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই এক্সিবিশনের একজন অংশগ্রহণকারী এবং তাকে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান তার এমপ্লয়ী হিসেবে সার্টিফাই করেছে। নিজস্ব কর্মকর্তাদের ভিসা আবেদন করার জন্য পরামর্শ জানাচ্ছে। ভিসার জন্য আবেদনকারীরা যে বিদেশি দূতাবাস/ কনস্যুলেটে ভিসার জন্য আবেদন করবে, তারা ভিসা প্রদানের পূর্বে তাদের স্বাভাবিক নিজস্ব পদ্ধতিগত চেকিং সম্পাদন করবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ভিসার আবেদন নাকচ করা হলে ইইপিসি ইন্ডিয়া কোনও ভাবে দায়ী থাকবে না। এর অর্থ হলো কোন কারণে অংশগ্রহণকারীগণ ভিসা না পেলেও তিনি ইইপিসি ইন্ডিয়াকে প্রদেয় চার্জ পরিশোধের দায়িত্ব বহন করবেন।

বাংলাদেশি এক্সিবিটরদের জন্য অংশগ্রহণ ফী

৮৫,০০০ বাংলাদেশি টাকা (৯ বর্গ মিটার, রেডিমেড বুথ)

৬৫,০০০ বাংলাদেশি টাকা (৬ বর্গমিটার, রেডিমেড বুথ)

বুথ ডিসপ্লে

৯ বর্গমিটার বুথে যা থাকবে


নির্বাচন মানদন্ড

প্রদর্শনীর জায়গা সীমিত হওয়ার কারণে
অংগ্রহণকারী নির্বাচনের ক্ষেত্রে আগে আসলে আগে পাইবেন
নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।

রপ্তানিকারক সদস্যদের জন্য সুবিধাসমূহ

ভারতের শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের MAI স্কীমের অধীনে ইইপিসি ইন্ডিয়া এই এক্সিবিশনটি আয়োজন করছে। সদস্যদের সুবিধার জন্য অংশগ্রহণ চার্জের ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।

  • সাইট ব্র্যান্ডিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, সংবাদপত্র বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয়োজনটির ব্যাপক প্রচার।
  • স্থানীয় চেম্বার এবং এসোসিয়েশনগুলোর সঙ্গে টাই-আপ
  • ফোকাস ব্যবসায়ীদের এক্সিবিশন ভিজিট

আবেদনপত্র জমা

আগ্রহী প্রতিষ্ঠানকে নিম্নের লিংকে গিয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯
এর মধ্যে অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করার জন্য আনুরোধ করা হচ্ছে।
https://app.eepcindia.org/ems/exhibitors/exhibitor_application_form/ODQ
অর্থ জমা দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে অনুগ্রহপূর্ব্বক "পেমেন্ট পদ্ধতি" সেকশনটি পড়ুন।

অংশগ্রহণ প্রত্যাহার

কোন আবেদনকারী তার অংশগ্রহণ প্রত্যাহার করতে চাইলে তাকে এই বিষয়টি মনে রাখতে হবে যে সে,
ইইপিসি ইন্ডিয়াকে পুরো অর্থ পরিশোধে দায়বদ্ধ থাকবে।

লক্ষ্য করুন:

এক্সিবিশনের উদ্যেশ্যে অথবা রপ্তানি প্রচারের জন্য কনসাইনমেন্ট ভিত্তিতে ভারত থেকে বাইরে পণ্য নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারীরা পরোক্ষ কর এবং শুল্কের কেন্দ্রীয় বোর্ড (সিবিআইসি) কর্তৃক ইস্যুকৃত সার্কুলার 108/27/2019-GST, তারিখ ১৮.০৭.২০১৯ অনুসরণ করতে পারেন।

ইইপিসি ইন্ডিয়া অফিসসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ

CIN : U51900WB1955NPL022644

  • মি. সুরঞ্জন গুপ্ত

    নির্বাহী পরিচালক

    ইইপিসি ইন্ডিয়া, সদরদপ্তর (সেল):
    ‘বন্ধনা’, ৪র্থ তলা, ১১ তলস্তয় মার্গ,
    নয়া দিল্লী ১১০০০১

  • মি. অধিপ মিত্র

    অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক এবং সাধারণ সম্পাদক

    ইইপিসি ইন্ডিয়া, সদরদপ্তর :
    ‘বানিজ্য ভবন’, ১ম তলা
    ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন সেন্টার, ১/১, উড স্ট্রীট,
    কলকাতা ৭০০০১৬

    • ০৩৩-২২৮৯০৬৫১/৫২/৫৩
    • ০৩৩-২২৮৯০৬৫৪
    • eepcho@eepcindia.net
  • মিস. অনিমা পান্ডে

    আঞ্চলিক পরিচালক (ইআর) ও পরিচালক (সদস্য)

    বানিজ্য ভবন (২য় তলা), ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন সেন্টার, ১/১, উড স্ট্রীট,
    কলকাতা- ৭০০ ০১৬

    • (+৯১ ৩৩) ২২৮৯০৬৭৩/৭৪
    • (+৯১ ৩৩) ২২৮৯০৬৮৭
    • eepcrokol@eepcindia.net
  • মি. রাকেশ সুরাজ

    আঞ্চলিক পরিচালক (এনআর)

    ফ্ল্যাট নং ১০, পি, কিউ, এন, ১০ম তলা
    ডিএমসি বিল্ডিং, ১৬ বারাখাম্বা রোড
    নয়া দিল্লী- ১১০ ০০১

    • (+৯১ ১১) ২৩৩১৪১৭১/৭৪
    • (+৯১ ১১) ২৩৩১৭৭৯৫
    • eepcrodel@eepcindia.net
  • মি. সি. এইচ. নাদিগাড়

    আঞ্চলিক পরিচালক (এসআর)

    গ্রিমস দুগার (৩য় তলা), ১৪৯ গ্রিমস রোড,
    চেন্নাই- ৬০০ ০০৬

    • (+৯১ ৪৪) ২৮২৯৫৫০১, ২৮২৯৫৫০২
    • (+৯১ ৪৪) ২৮২৯০৪৯৫
    • eepcrochen@eepcindia.net
  • ড. রজত শ্রীভাস্তভ

    আঞ্চলিক পরিচালক (ডব্লিউ আর) এবং পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন)

    বি-২০২ ও ২২০, অরাশ চেম্বারস্, এনেক্স Òবি” (২য় তলা), মাহিন্দ্র টাওয়ার এস. এস. আমরুতওয়ার মার্গ, ওরলি
    মুম্বাই- ৪০০ ০১৩

  • মি. জে. ভি. রাজা গোপাল রাও

    সিনিয়র উপ-পরিচালক

    এম্বেসি স্কয়ার, ১০৩, ১ম তলা, নং ১৪৮, ইনফ্যান্ট্রি রোড,
    বেঙ্গালুরু- ৫৬০ ০০১

    • (+৯১ ৮০) ২২২৬১৩৯৬ / ২২২৬৮৬৬৯
    • (+৯১ ৮০) ২২২৬৬৯১৪
    • eepcsroblr@eepcindia.net
  • মি. ভি. সি. রভীশ

    সহকারী পরিচালক

    সোহাম ম্যানশন (১ম তলা), নং. ৫-৪-১৮৭/৩ ও ৪/৪, এম. জি. রোড,
    সেকুন্দারাবাদ- ৫০০ ০০৩

  • মি. অপিন্দার সিং

    উপ-পরিচালক

    প্লট কম. ১, ফোকাল পয়েন্ট
    জলন্ধর- ১৪৪০১২

  • মি. সুধাকরণ সি. কে. নাইর

    উপ-পরিচালক

    টিএফ-৩১৩/এ (৩য় তলা), এটিএমএ হাউস আশ্রম রোড,
    আহমেদাবাদ- ৩৮০ ০০৯